কারা জান্নাতী কুমারীদের ভালবাসে

৳ 190.00

হুরেঈন (জান্নাতের প্রেয়সী) দের জান্নাতি সংগীতঃ আমরা চিরঞ্জীব-চিরন্তন, মারা যাব না কভু; আমরা পালিত নিআমতের বাহারে; দুঃখ ছুঁইবে না কভু আমরা চিরসন্তুষ্ট, চিরসুখী; অসন্তুষ্ট হবো না কভু। সুসংবাদ হে ঐ লোক; যার জন্য আমরা হয়েছি পাগল আর তুমি হয়েছ আমাদের তরে উন্মাদপ্রাণ।। ====================================== আলী রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, “জান্নাতে হুরেঈনগণের একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঐ সমাবেশে হুরেরা এমন কণ্ঠস্বরেগান গাইতে থাকবেন যা ইতোপূর্বে কোনো মাখলুক কখনও শুনতে পায় নি। ===================================== আয়িশা (রাদিআল্লাহু আ’নহু) বলেন, “যখন হুরেঈনগণ উপরোক্ত সঙ্গীত গাইতে থাকবে তখন দুনিয়ার স্ত্রীরা তাঁদের সঙ্গীতের জবাব দিবে এভাবেঃ আমরা আদায় করেছি সলাত; তোমরা কর নি তা। আমরা রেখেছি সাওম, তোমরা রাখ নি তা। অযু করেছিলাম মোরা, তোমরা অযুবিনে। আমরা করেছি দান সাদকাহ, তোমরা ছিলে সাদকাহ বিনে। ====================================== আয়িশা রদিআল্লাহু বলেন, “এই জবাবের মাধ্যমে দুনিয়ার স্ত্রীগণ জান্নাতে হুরেঈনদের উপর জয়ী হয়ে যাবে।” ====================================== প্রিয়তমা,চির যৌবনা, প্রেমময়ী হুরেঈন রা কেমনঃ —————————————————————– ——– রত্ন, মিশক,কাফূর দিয়ে তৈরি। তার লালা সমুদ্রের পানিতে মিশ্রিত করলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি মিষ্টি হয়ে যাবে। তার মিষ্টি কণ্ঠের ডাক শুনলে মৃতও সাড়া দেবে। যদি তার হাতের কবজি প্রকাশ হয়ে পড়ে তবে সূর্য অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে তাতে গ্রহণ লেগে যাবে। আঁধার আলোকিত ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। যদি সে তার পোশাক ও অলংকারসহ দিগন্তে দৃশ্যমান হয়, তবে অসীম ও অনন্ত দিগন্ত সুগন্ধ ও অলংকৃত হয়ে যাবে। সে বেড়ে উঠেছে মিশক আর জাফরানের বাগানে। ইয়াকুতের তৈরি ঘরে। নিআমতের তাঁবুর অভ্যন্তরেই সে কেবল বিচরণ করেছে এবং তাসনীম নামক ঝর্ণার পানি দ্বারা তৃষ্ণা নিবারণ করেছে। সে তার ওয়াদার খেলাফ করে না। তার ভালবাসা পরিবর্তিত হয় না। —————————————————————–আমি হুরেঈনের কোলে মাথা রেখে সুমিষ্ট মধুর তিলাওয়াত শুনতে চাই, কিভাবে পাবো হুরেঈনঃ ————————————————————————— শহীদের সম্মান লাভ করা রাতের একটি অংশে অন্য সকল ব্যস্ততা থেকে অবসর নিয়ে ইখলাসের সহিত অন্তত দুই রাকাআত সলাত আদায় করবে। তোমার খাবার সামনে হাজির হলে নিজে অভুক্ত থেকে হলেও ক্ষূধার্ত ব্যক্তিকে খাওয়াবে অথবা পথ হতে পাথর-আবর্জনা বা কষ্টকর বিষয়াদি সরিয়ে ফেলবে। কম এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণে সন্তুষ্ট থেকেই এই দুনিয়ার জীবন অতিবাহিত করবে। এই ধোঁকা এবং প্রতারণাময় জিন্দেগী যেন তোমার মনোযোগ আকর্ষণ না করে। তুমি এখানে অল্পে তুষ্ট হলে আগামীকাল কিয়ামতের দিন নিরাপদে সম্মানিত অবস্থানে অধিষ্ঠিত হতে পারবে এবং মহা সম্মানিত প্রভুর সান্নিধ্যে সুখময় স্থানে চিরস্থায়ী হতে পারবে। আর আল্লাহর রাস্তার শহীদগণ এমন হুরেঈন পাবেন কমপক্ষে ৭০ জন! *আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন পুরষ্কারের ঘোষণা পাওয়ার পরও কী ভাইদেরকে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া থেকে বিরত রাখল?! নিশ্চয়ই আল্লাহ কারও প্রতি জুলুম করেন না। অতএব স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মিলে জান্নাতে নিজেদের খাদেম হুরেঈন সংগ্রহে অনুপ্রাণিত হোন। হযরত সুলাইমান রহ. জনৈক যুবককে গভীর সাধনায় নিমজ্জিত দেখে তাকে এর কারন জিগস করায় যুবক বলল, আমি স্বপ্নযোগে জান্নাতের এমন সব সুরম্য প্রসাদ প্রতাক্ষ করেছি, যা নির্মান কাজে ব্যবহৃত একটি ইট স্বর্ণের ও অপরটি ছিল রুপার সেসব মহলে আমি বহু অপরুপা সুন্দরী হুর দর্শন করেছি, যাদের রুপ লাবণ্য বর্ণনাতীত তাদের একজন আমাকে দেখে ঈষৎ মৃদ্যু হেসেছিল। ইত্যবসরে সে আমাকে সম্বোধন করে বলল, হে যুবক! তুমি যদি উওমরুপে মহান আল্লাহর আনুগত্য কর,তবে জান্নাতে তুমি আমাকে লাভ করে সৌভাগ্য বান হতে পারবে। [বইঃ কারা জান্নাতী কুমারীদের ভালবাসে, ড. আব্দুল্লাহ আযযাম রহিমাহুল্লাহ] প্রকাশনায় আর রিহাব পাবলিকেশন্স মুদ্রিত মূল্য ৩৬০টাকা। যারা এখনও বই টি পড়েন নি,শুরু করতে পারেন।

Out of Stock

Out of stock

Category:
 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কারা জান্নাতী কুমারীদের ভালবাসে”

Your email address will not be published. Required fields are marked *