মানসাঙ্ক

৳ 200.00

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বাবার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কন্যা। অভিযোগ উঠেছে মায়ের সহযোগিতায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছে ওই বাবা। স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার রাতে মা-মেয়েকে থানায় নিয়ে গেলে পুলিশের কাছে বাবার যৌন-নির্যাতনের বর্ণনা দেয় ওই ছাত্রী। এ সময় সে জানায় ধর্ষণ করতে বাবাকে সহযোগিতা করত তারই মা। নওগাঁর মান্দায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কাছির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পারইল কাঁঠালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাজধানীর বংশালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ ও গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার জুয়েল মুন্সিকে জামিন দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। কিছুদিন আগে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে নুসরাতকে। এই তো কদিন আগে ওয়ারিতে এক শিশুকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়েছে। গত সপ্তাহে এক পিতা তার ফুটফুটে মেয়েকে ধর্ষণ করেছে।
.
এগুলো নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগেও সুলতানা, রূপা, আয়িশা ও আঁখিদের মতো অসংখ্য নারীকে এমন পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। নারী সহিংসতার এ চিত্র কেবল আমাদের দেশেই দেখা যাচ্ছে, ব্যাপারটা এমন নয়। পুরো বিশ্বেই নারী সহিংসতার এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে। কী আধুনিক বিশ্ব কী অনুন্নত বিশ্ব, ধর্ষণ সব জায়গারই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। সর্বত্রই নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। শিশু থেকে নিয়ে ষাটোর্ধ্ব বুড়ো মহিলা পর্যন্ত ধর্ষিত হওয়ার খবরও পত্র-পত্রিকায় দেখতে পাচ্ছি আমরা। বাবার হাতে ধর্ষিত হচ্ছে সাত বছরের মেয়ে, ভাইয়ের হাতে ধর্ষিত হচ্ছে ক্লাস এইটে পড়া ছোটো বোন, শ্বশুরের হাতে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে নব বিবাহিত পুত্রবধূ।
কেন বাড়ছে ধর্ষণ?
যৌন হয়রানি কেন কমানো সম্ভব হচ্ছে না?
কেন ইভটিজিং দিন দিন বেড়েই চলছে?
.
এই প্রশ্নগুলো সামনে এলে সাধারণত আমাদের সমাজে দুভাবে এর উত্তর দেওয়া হয়। এক পক্ষের দাবি হলো—সব দোষ মেয়েদের। মেয়েরা যদি দল ধরে বোরখা বা হিযাব পরতে শুরু করে, তবেই সব ঠিক হয়ে যাবে। আরেক পক্ষের দাবি হলো, ধর্ষণের জন্যে পুরুষই দায়ী। তাই সবার আগে পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। বিভিন্ন টকশো, পত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম কিংবা চায়ের আড্ডায় এসব নিয়ে ঝড় বয়ে যায়। কিন্তু এ দীর্ঘ বিতর্কের আড়ালে চাপা পড়ে সমস্যার মূল কাঠামো।
.
অনেকেই আগ্রহভরে এই সমস্যার সমাধান সত্যিকার জানতে চান। ধর্ষণ, ইভটিজিং কিংবা যৌন হয়রানিমুক্ত সমাজ দেখতে চান। জানতে চান নারী সহিংসতার মৌলিক কারণ ও সমাধান। এসব জিনিস সামনে রেখেই ডা. শামসুল আরেফীন লিখেছেন “মানসাঙ্ক”। রিসার্চ পেপার, ডকুমেন্টারি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ধর্মীয় বক্তব্যের আলোকে ধর্ষণের কারণ তুলে ধরেছেন বইটিতে। পাশপাশি বাতলে দিয়েছেন সমস্যার নিরপেক্ষ সমাধান। আপনারা জেনে হয়তো অবাক হবেন—ধর্ষণ, ইভিটিজিং, যৌন হয়রানির কারণ ও প্রতিকার নিয়ে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক বিশ্লেষণধর্মী প্রথম বাংলা বই এটি।
বইটি পড়তে গিয়ে পাঠক সবিস্ময়ে লক্ষ করবেন, প্রায় ১৫০০ বছর আগে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি বন্ধের জন্যে ইসলাম যে রূপরেখা প্রদান করেছে, ঠিক একই সমাধানের কথাই বলছে আজকের আধুনিক বিজ্ঞান।

Out of stock

Out of stock

Category:
 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “মানসাঙ্ক”

Your email address will not be published. Required fields are marked *